জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
১৪-০৮-২০২৬ ০৬:৫৩:৩০ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
১৪-০৮-২০২৬ ০৬:৫৩:৩০ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
সাউথ সুদান ও আবেই অঞ্চলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন এলাকা পরিদর্শন শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
শুক্রবার(১৪ আগস্ট) তার দেশে ফেরার বিষয়টি আন্তঃবাহিনীর জনসংযোগ পরিদপ্তর-আইএসপিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পাঁচ দিনের এ সরকারি সফরে সেনাপ্রধান ‘ইউনাইটেড নেশনস মিশন ইন সাউথ সুদান ও ইউনাইটেড নেশনস ইন্টারিম সিকিউরিটি ফোর্স ফর আবেই’ পরিদর্শন করেন।
সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান দক্ষিণ সুদানে মোতায়েনরত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোম্পানি, পদাতিক ব্যাটালিয়ন ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফোর্স মেরিন ইউনিট পরিদর্শন করেন। এছাড়া আবেইতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক ব্যাটালিয়ন পরিদর্শন করেন জেনারেল ওয়াকার।
ইউনাইটেড নেশনস মিশন ইন সাউথ সুদান-আনমিসের ফোর্স কমান্ডারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি: আইএসপিআর
এ সময় তিনি বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
এছাড়া মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশি স্টাফ অফিসার, অবজারভার এবং কন্টিনজেন্ট সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন সেনাপ্রধান।
তিনি তাদের কার্যক্রম ও মিশনের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হন।
আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনী প্রধান সাউথ সুদান ও আবেই অঞ্চলের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ফোর্স কমান্ডারদের সঙ্গে পৃথকভাবে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।
তিনি আবেইতে মিশন লিডারশিপ টিম এবং সুদান ও সাউথ সুদানের ন্যাশনাল মনিটরগণের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। এ সকল সাক্ষাতে মিশনের সার্বিক কার্যক্রম, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আভিযানিক চ্যালেঞ্জসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।”
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে গার্ড অব অনার দেয় সাউথ সুদানের প্রতিরক্ষা বাহিনী।পরে সেনাবাহিনী প্রধান সাউথ সুদানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ও প্রতিরক্ষাবাহিনীর প্রধানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।
এ সময় সাউথ সুদানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে সেনাবাহিনী প্রধানকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
আইএসপিআর আশা প্রকাশ করে বলেছে, সেনাবাহিনী প্রধানের এ সফর বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের মনোবল বৃদ্ধির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দেশ ও জাতিসংঘের সঙ্গে বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করবে। এছাড়া বাংলাদেশের জন্য শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের পরিধি সম্প্রসারণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স